রামকৃষ্ণ মিশনের 'বেদগ্রন্থমালা'র অনুবাদের পর্দা ফাঁস

 
রামকৃষ্ণ মিশন বেদ অনুবাদ বের করেছে। সমস্যা হলো সংগঠনটির ইতিহাসে কোন বেদ ভাষ্যকার নেই। এখন বেদ অনুবাদ তাহলে তারা কীভাবে বের করবে? তারা সুন্দর করে বেদের কুখ্যাত কিছু পৌরাণিক ও পাশ্চাত্য ভাষ্যকার যেমন সায়ণ, মহীধর, গ্রিফিথ, ম্যাক্সমুলারের অনুবাদকে হুবহু কপি করে বসিয়ে দিয়েছে, নিজেদের থেকে ১ টা লাইনও ভাষ্য করেনি। যে মিশনারি অনুবাদকরা নিজের বইতে স্পষ্ট লিখে গেছে তাদের উদ্দেশ্য ভারতীয়দের খ্রিষ্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত করা তাদের অনুবাদ সরাসরি কপিপেস্ট করে মিশন লিখেছে গোহত্যা করে গোমাংস খাবার পক্ষে। একদিকে স্বামী সমর্পণানন্দ বাংলা লেকচারে দাবি করেন বেদে গোমাংস বা গোবধ নেই, অপরদিকে স্বামী বিবেকানন্দ বেদে গোমাংস আছে বলে নিজের বইতে বক্তৃতা দেন। আবার রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অফ কালচার মিশনারিদের কপি-পেস্ট অনুবাদ করে বেদে গোবধের! অর্থাৎ যেখানে যাকে যেভাবে বুঝ দেওয়া যায় জোড়াতালি দিয়ে! সাধারণ সনাতনীদের সামনে সায়ণের কোনো দোষই নাই তার ভাষ্যে এসব নাই আর যখন অনুবাদ নিয়ে ধরা হবে তখন বলবে সায়ণ-বিনিয়োগে এসব আছে। কি বিচিত্র পরিহাস! আর মিশনের এই তথাকথিত বেদ অনুবাদ প্রজেক্টের সম্পূর্ণ অফিসিয়াল অর্থায়ন করেছে পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন রাজ্য সরকার অর্থাৎ তৃণমূল কংগ্রেস সরকার। সনাতনী যাঁরা রামকৃষ্ণ মিশনের ভক্ত আছেন তাঁদের কি উচিত নয় সরাসরি মহারাজদেরকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা, তীব্র প্রতিবাদ করা এবং মিশন এই কাজের জন্য ক্ষমা না চাইলে তাদের বয়কট করা? সিদ্ধান্ত আপনাদের।
 
ছবিতে মিশনের করা জঘন্য সব ভুল অনুবাদ দেয়া হলো। গর্ভবতী গাভীকে তো অহিন্দুরা পর্যন্ত সচরাচর প্রাণে মা*রেনা অথচ মিশনের অন্ধানুসারী অরূপসমৃদ্ধ বিনিয়োগের উপর ভিত্তি করে তথাকথিত পরম্পরাগত খ্রিস্টান মিশনারী ব্যাখ্যার কপিপেস্ট অনুবাদ বলছে বেদে নাকি গর্ভবতী গাভীকে কে*টে হ*ত্যা করা, বাছুর রক্তসহ আহুতির বিধান আছে! এইসব মহা অপরাধ করার পরেও আপনারা ভক্তরা কিছু বলেন না। তারা আপনাদের টাকায় আরাম করে খেয়ে খেয়ে আপনাদের ধর্মকেই ভয়াবহ অবমাননা করছে। আর কবে জাগবেন আপনারা? 

 





































Post a Comment

Previous Post Next Post

যোগাযোগ ফর্ম