মেঘের ডাক মানে আগুনের চাবুক হাতে ফেরেশতার চিৎকার-চেঁচামেচি

 

🔰 মেঘের ডাক মানে আগুনের চাবুক হাতে ফেরেশতার চিৎকার-চেঁচামেচি
☁️
ইয়াহুদীরা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বলল, হে আবূল কাসিম! আমাদেরকে রা’দ (মেঘের গর্জন) প্রসঙ্গে বলুন, এটা কি? তিনি বললেনঃ মেঘমালাকে হাকিয়ে নেয়ার জন্য ফেরেশতাদের একজন নিয়োজিত আছে। তার সাথে রয়েছে আগুনের চাবুক। এর সাহায্যে সে মেঘমালাকে সেদিকে পরিচালনা করেন, যেদিকে আল্লাহ তা’আলা চান। তারা বলল, আমরা যে আওয়াজ শুনতে পাই তার তাৎপর্য কি? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এটা হচ্ছে ফেরেশতার হাকডাক। এভাবে হাকডাক দিয়ে সে মেঘমালাকে তার নির্দেশিত স্থানে নিয়ে যায়। 
 
▪️সূত্র: সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত) ৩১১৭

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত) https://www.hadithbd.com/hadith/link/?id=41636

হাদিস শাস্ত্রের পরিভাষায় "হাসান সহীহ গারীব" হলো এমন একটি হাদিস, যার সনদের মান বা বর্ণনাকারীদের ওপর নির্ভর করে মুহাদ্দিসগণ তিনটি ভিন্ন পরিভাষা একসাথে ব্যবহার করেছেন। এটি মূলত হাদিসের গ্রহণযোগ্যতার একটি বিশেষ মান। [1, 2, 3, 4, 5]
সহজ ভাষায় এই তিনটি পরিভাষার অর্থ নিচে দেওয়া হলো:
  • হাসান (حسن): বর্ণনাকারীর স্মৃতিশক্তি সহীহ বা সম্পূর্ণ নির্ভুল বর্ণনাকারীদের চেয়ে কিছুটা কম, তবে হাদিসটি আমলযোগ্য ও গ্রহণ করার মতো।
  • সহীহ (صحيح): হাদিসটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ, সঠিক ও নির্ভুল।
  • গারীব (غريب): হাদিসের সনদের কোনো এক পর্যায়ে বর্ণনাকারীর সংখ্যা মাত্র একজন। [1, 2, 3, 4, 5]
ইমাম তিরমিজী (রহঃ) তাঁর বিখ্যাত জামে' আত-তিরমিজী গ্রন্থে এই ধরনের পরিভাষাগুলো খুব বেশি ব্যবহার করেছেন। যখন তিনি কোনো হাদিস সম্পর্কে "হাসান সহীহ গারীব" বলেন, তখন তাঁর উদ্দেশ্য থাকে—হাদিসটির একাধিক সনদ বা সূত্র রয়েছে, যার মধ্যে কোনো একটি সূত্রে বর্ণনাকারী মাত্র একজন হলেও হাদিসটি নির্ভরযোগ্য ও শক্তিশালী।

 

Post a Comment

Previous Post Next Post

যোগাযোগ ফর্ম